24 ALL BANGLADESH NEWS

‘আমার ছেলে দুইটাও ওদের চেয়ে বয়সে বড়’

বিনোদন প্রতিবেদক ঢাকা

434
জয়া আহসান

জয়া আহসান
ছবি: ফেসবুক

জয়া আহসান, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
নারায়ণগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন বহু মানুষ। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় আমি স্তব্ধ ও শোকাহত। মৃত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তি কামনা করি। এই অকস্মাৎ ক্ষতিতে স্বজনহারা হলো বহু পরিবার। তাদের প্রতি আমার একান্ত সমবেদনা রইল।

নিপুন, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

আমরা গভীর শোকাহত–রূপগঞ্জের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। নিহত সকলের আত্মার চির শান্তি কামনা করছি।

রুনা খান, নাট্য অভিনেত্রী

কর্মীদের জন্য নিরাপদ কাজের পরিবেশ না দিতে পারার দায় তাহলে কার ???

রুনা খান

রুনা খান

শাহনাজ খুশি, নাট্য অভিনেত্রী
শিল্পপতিদের উদার ব্যবস্থাপনায় এত করুণ মৃত্যু! এর সংখ্যা ৫২। তার মধ্যে ৪৯ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এ কারখানা বন্ধ হবে, আরেকটা খুলবে। সেখানে জ্বলবে/ বিস্ফোরণ হবে, আরেকটা খুলবে, আরেকটা। সব আইন, নীতিমালা ভেদ করে, মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে তাদের নতুন অট্টালিকা। চকচকে ডলার বা টাকায় পোড়া কারখানার রং বদলে যাবে। নাইট ক্লাবগুলো এই মানুষ পোড়া ডলারেই উৎসবমুখর হবে। বিদেশের সেকেন্ড হোমে পৌঁছে যাবে অনাবিল সচ্ছলতা। শুধু এই ৫২ জনের পরিবারের শোকের মাতম চলবে আমৃত্যু। আমরা ভুলে যাব সব, যেমন ভুলে গেছি রানা প্লাজা, অহরহ লঞ্চডুবি, নিত্যকার সড়ক দুর্ঘটনা, আজকের করোনার নতুন সংযোজন ২১২ জন, সব। আমাদের ছোট্ট দেশটায় আজ কত প্রাণহানি, কত মৃত্যু। যাঁরা ওই জুসের কারখানায় কাজ করতে গিয়ে, তালাবদ্ধ কারখানায়, তলায় তলায় নিষ্ঠুরভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন, তাঁদের বেশির ভাগের বয়স নাকি ১৮ বছরের নিচে। এটা জানার পর থেকে, বুকের ভেতর কষ্টে তোলপাড় করছে। আমার ছেলে দুইটাও ওদের চেয়ে বয়সে বড়। প্রায় ৫২ জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেমেয়ে। কারণ, প্রাপ্তবয়স্ক কর্মী নিতে হলে, পূর্ণ বেতন দিতে হতো। এদের সবার পরিবারে মাত্র ১১ দিন পর ঈদ। কিচ্ছু বলার নেই। গভীর শোক জানাই, ক্ষমা চাই তোমাদের আত্মার কাছে।

শাহনাজ খুশি

শাহনাজ খুশি
ছবি: ফেসবুক
কারখানার সামনে পড়ে আছে এক পাটি ছেঁড়া স্যান্ডেল।

কারখানার সামনে পড়ে আছে এক পাটি ছেঁড়া স্যান্ডেল। 
ছবি: ফারুক ওয়াসিফ

বাকার বকুল, নাট্যনির্দেশক
এই জুতা সাক্ষী যে এই শিশুদের নাম ছিল, শিশুর সমান বয়স ছিল, বন্ধ দরজার ওপারে ওরা কাঠ–কয়লার চেয়েও কম মূল্যে কয়লা হয়েছে। এই জুতা সাক্ষী যে শ্রমিকের জীবনের দরজা রাষ্ট্রীয় পাহারায়, সরকারি তোষামোদে, জনগণের টাকায় চলা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে সব সময় বন্ধ থাকে। এই জুতা সাক্ষী যে শ্রমিকের থেঁতলানো, বুলেটে ঝাঁঝরা, কিংবা আগুনে পোড়া শরীরের গ্যারান্টির ওপর দাঁড়ানো থাকে দেশের ৮% জিডিপি।

বাকার বকুল

বাকার বকুল
ছবি: ফেসবুক

মাবরুর রশিদ বান্না, নাট্যনির্মাতা
দিনকে দিন অনুভূতিহীন হচ্ছে মানুষগুলো। পরপর ট্র্যাজেডি, কতগুলো মানুষের মৃত্যু। কত শত মানুষের করুণ অসহায়ত্ব, দিনকে দিন অনুভূতিশূন্য হচ্ছে মানুষগুলো।

Leave A Reply

Your email address will not be published.